সদ্যসাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রোববার বা সোমবারের মধ্যে বঙ্গভবনের ছাড়তে পারেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের এ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী সোমবারের মধ্যে উনি বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন। তবে, রোববারও চলে যেতে পারেন। গিয়ে উনি গুলশানের বাসায় উঠবেন৷ সেখানে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওনার ব্যক্তিগত উইং বিষয়টি দেখভাল করছে।’
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে শুক্রবার বিকালে গুলশান-১ এর ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে তার বাসায় গিয়ে নতুন টেলিফোন সংযোগ দেওয়াসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় সংশ্লিষ্টদের।
পদত্যাগ করার পর এই বাসার পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রপতির ওঠার কথা তুলে ধরে বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মো. মাছুম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘তিন-চারদিন আগে স্যার এসেছিলেন এই বাসায়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় শতাধিক লোকজন এসেছিল। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে উনি এসেছিলেন, এরপর রাত পৌনে ৯টা নাগাদ উনি এখান থেকে চলে গেছেন। ইতোমধ্যে তার বাসায় টুকিটাকি বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে এসবির (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) কয়েকজন লোক রয়েছেন।’
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া সাহাবুদ্দিন এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের ১৬ মাস পরই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে ভিন্ন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান।
পরবর্তী সময়ে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের মুখে পড়েন মো. সাহাবুদ্দিন।
এদিকে এতদিন দায়িত্ব চালিয়ে গেলেও শুক্রবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই দায়িত্ব থেকে ইস্তফা নিলেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী সোমবারের মধ্যে উনি বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন। তবে, রোববারও চলে যেতে পারেন। গিয়ে উনি গুলশানের বাসায় উঠবেন৷ সেখানে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওনার ব্যক্তিগত উইং বিষয়টি দেখভাল করছে।’
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে শুক্রবার বিকালে গুলশান-১ এর ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে তার বাসায় গিয়ে নতুন টেলিফোন সংযোগ দেওয়াসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় সংশ্লিষ্টদের।
পদত্যাগ করার পর এই বাসার পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রপতির ওঠার কথা তুলে ধরে বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মো. মাছুম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘তিন-চারদিন আগে স্যার এসেছিলেন এই বাসায়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় শতাধিক লোকজন এসেছিল। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে উনি এসেছিলেন, এরপর রাত পৌনে ৯টা নাগাদ উনি এখান থেকে চলে গেছেন। ইতোমধ্যে তার বাসায় টুকিটাকি বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে এসবির (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) কয়েকজন লোক রয়েছেন।’
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া সাহাবুদ্দিন এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের ১৬ মাস পরই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে ভিন্ন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান।
পরবর্তী সময়ে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের মুখে পড়েন মো. সাহাবুদ্দিন।
এদিকে এতদিন দায়িত্ব চালিয়ে গেলেও শুক্রবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই দায়িত্ব থেকে ইস্তফা নিলেন।
অনলাইন ডেস্ক